Header Ads

Header ADS

চিংড়ির মাথায় জেলি, করমচা হচ্ছে চেরি!

 

চট্টগ্রাম ।। ওজন বাড়িয়ে ক্রেতা ঠকিয়ে বেশি লাভের জন্য চিংড়ি মাছের মাথায় ভরা হচ্ছে স্বচ্ছ জেলি। কমদামি করমচা ক্ষতিকর রঙে রাঙিয়ে চেরি বলে বিক্রি হচ্ছে বেশি দামে।



মেয়াদোত্তীর্ণ ও মেয়াদবিহীন কাটা ওষুধে সয়লাব ফার্মেসি।

জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতরের মহাপরিচালকের নির্দেশে কর্মকর্তারা সোমবার (২৪ আগস্ট) নগরের চান্দগাঁও ও ডবলমুরিং থানা এলাকায় তদারকিমূলক কার্যক্রমে এমন চিত্র দেখতে পান।    


এপিবিএন, ৯ এর সহায়তায় পরিচালিত এ অভিযানে নেতৃত্ব দেন অধিদফতরের বিভাগীয় কার্যালয়ের  উপপরিচালক মোহাম্মদ ফয়েজ উল্লাহ, সহকারী পরিচালক (মেট্রো) পাপীয়া সুলতানা লীজা ও জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মুহাম্মদ হাসানুজ্জামান।


মুহাম্মদ হাসানুজ্জামান  জানান, চান্দগাঁও থানার বহদ্দারহাট বাজারে খাজা ফিশিংকে জেলিযুক্ত চিংড়ি রাখায় ১০ হাজার টাকা জরিমানাসহ প্রায় ৪০ কেজি জেলিযুক্ত চিংড়ি ধ্বংস করা হয়।



খান ফার্মেসিকে মেয়াদোত্তীর্ণ ও মেয়াদবিহীন কাটা ওষুধ রাখায় ৫ হাজার টাকা জরিমানাসহ বর্ণিত ওষুধ ধ্বংস করা হয়।  

জিলানি ট্রেডার্সকে উৎপাদন-মেয়াদবিহীন শিশুখাদ্য ও অননুমোদিত পণ্য রাখায় (হাকিমপুরি জর্দা) ৫ হাজার টাকা জরিমানাসহ ৫০ কৌটা জর্দা ধ্বংস করা হয়।

যমুনা ফার্মেসিকে মেয়াদোত্তীর্ণ ও মেয়াদবিহীন কাটা ওষুধ সংরক্ষণ করায় ৬ হাজার টাকা জরিমানাসহ বর্ণিত ওষুধ ধ্বংস করা হয়।

ডবলমুরিং থানার মোগলটুলীর সন্দ্বীপ ফার্মেসিকে একই অপরাধে ৫ হাজার টাকা  জরিমানাসহ বর্ণিত ওষুধ ধ্বংস করা হয়। খাজা শাহজি স্টোরকে নকল চেরি (রং দেওয়া করমচা) রাখায় ৫ হাজার টাকা জরিমানাসহ প্রায় ২ কেজি নকল চেরি ধ্বংস করা হয়।


জনস্বার্থে এ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলে জানান জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতরের এ কর্মকর্তা।  


সূত্র: বাংলা‌নিউজ

No comments

Powered by Blogger.