গ্রাহকদের মেয়াদ পূর্ণ বীমার টাকা দিচ্ছে না হোমল্যান্ড লাইফ ইন্সরেন্স কোঃলিঃ
ব্রেকিং রিপোর্ট ডেস্ক ।। চাঁদপুরে বীমার মেয়াদ পূর্ণ হলেও গ্রাহদের টাকা দিচ্ছে না হোমল্যান্ড লাইফ ইন্সরেন্স কোম্পানি লিমিটেড চাঁদপুর সার্ভিসিং সেন্টার কর্তৃপক্ষ। গ্রাহরা তাদের কষ্টার্জিত টাকা তিল তিল করে জমিয়ে বীমার প্রিমিয়াম পরিশোধ করে মেয়াদ পূর্ন করার পরও টাকা দিতে তালবাহানা করছে অসাধু বীমা কর্মকর্তারা।
১৭ অাগষ্টরেবিবার দুপুর ১টার পর শহরের জে এম সেন গুপ্ত রোডস্থ হোমল্যান্ড লাইফ ইন্সরেন্স কোম্পানি লিমিডমটেড চাঁদপুর সার্ভিসিং সেন্টারে সরজমিনে গিয়ে দেখা যায় ১২ থেকে ১৫ জন পুরুষ/মহিলা গ্রাহক তাদের মেয়াদ উর্ত্তিন টাকা অাদায়ে অফিসে এসে হট্রগোল করছে। মিডিয়া কর্মীদের উপস্থিত টের পেয়ে বেশ কয়েকজন কর্মকর্তা অফিসের নিজ নিজ ডেস্ক থেকে সটকে পরে।
গ্রাহদের সাথে কথা বলে জানা যায় তাদের অনেকের বীমার মেয়াদ উত্তীর্ন হয়ের কারো ১২ বা কারো ১০ বছর মেয়াদী। বহুবার অফিসে অাসলেন গ্রাহকগণ সেন্টারের ম্যানেজার মহসিন তালুকদারকে পাচ্ছেন না। অন্য কমর্কর্তারা থাকলো কোন প্রকার সদোত্তর তার দিচ্ছেন না।
মতলব দক্ষিণ উপজেলার নারায়নপুর এলাকার মরিয়ম বেগম বলেন, অামি ২০০৬ সালে একটা ও অারেকটি ২০১৪ সালে বীমা করেছি। একটির মেয়াদ র্পনূ হয়েছে এরজন্য এ নিয়ে অামি ১৭ বার অফিসে এসেছি কিন্তু তারা কিছুই বলছে না। একেকবার একেক রকম কথা বলে অামাকে বিদায় করে দেয়। মানিক ভূঁইয়া ও নজরুল স্যারের অামলে করেছি যখন অফিস শহীদ মুক্তিযোদ্ধা সড়কে ছিল।
পুরানবাজারের দোকান ঘর এলাকার বৃদ্ধা ফাতেমা অাক্তার বলেন, ২০০৮ সালে জসিম স্যার থাকতে বীমা করেছি। অামার স্বামী নাই অানেক কষ্ট করে জাস মুরগি গরু পেলে টাকা জোগার করে বীমরি টাকা দিয়েছি এখন অফিসের সিড়ি বাইতে বাইতে জীবন শেষ।
চান্দ্রা চৌরাস্তা এলাকার মুসলিম গাজী বলেন ২০০৭ সালে বীমা করেছি জসিম স্যার তথন ছিলেন। তখন অফিস ছিল শাপলা স্টুডিওর পাশে শহীদ মুক্তিযোদ্ধা সড়কে।

No comments