Header Ads

Header ADS

জোয়ারের পানি বন্দরের ইয়ার্ডেও

 

চট্টগ্রাম ।। সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি, বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপ, ভারী বর্ষণ, পাহাড়ি ঢলসহ নানা কারণে কয়েকদিন জোয়ারের পানি উঠেছে চট্টগ্রাম বন্দরের বিভিন্ন ইয়ার্ডে। এ খবরে উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়ে আমদানিকারক, সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টসহ সংশ্লিষ্টদের মধ্যে।



 

তবে রোববার (২৩ আগস্ট) ইয়ার্ডে জোয়ারের পানি উঠেনি বলে জানিয়েছেন চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সচিব মো. ওমর ফারুক।


তিনি বলেন, অমাবস্যা-পূর্ণিমা কিংবা সাগরে নিম্নচাপ সৃষ্টি হলে নিচু ইয়ার্ডগুলোতে নালা দিয়ে জোয়ারের পানি ঢুকে পড়ে। কয়েক ঘণ্টার মধ্যে পানি আবার নেমে গেছে। এতে কনটেইনার বা ইয়ার্ডে থাকা আমদানি পণ্য বা কনটেইনারে থাকা পণ্য যাতে নষ্ট না হয় সে ব্যাপারে কর্তৃপক্ষের নজরদারি রয়েছে।



এ সংকট নিরসনে বন্দর কর্তৃপক্ষের পরিকল্পনা অনুযায়ী ইয়ার্ড মেরামত বা সংস্কারের সময় উঁচু করা হচ্ছে।  

বন্দর ব্যবহারকারী একটি সূত্র জানায়, আকস্মিকভাবে অস্বাভাবিক জোয়ারের পানি ইয়ার্ডে উঠে গেলে বন্দরের ভেতর পণ্যবাহী গাড়ি চলাচলে সমস্যার সৃষ্টি হয়।


কনটেইনার স্থানান্তরেও জটিলতা দেখা দেয়। টার্মিনাল ভবনের সামনে পানি ওঠায় কর্মকর্তাদের চলাচলেও ভোগান্তি পোহাতে হয়েছে শুক্র ও শনিবার। সাধারণ কার্গো বার্থ বা জিসিবির জেটির পেছনের ইয়ার্ডে জোয়ারের পানি জমে যায়।  

চিটাগাং কনটেইনার ইয়ার্ড (সিসিটি), রেফার কনটেইনার ইয়ার্ড, টার্মিনাল ভবনের আশপাশেও জোয়ারের পানি উঠেছে। তিনি জানান, গত শুক্র ও শনিবার দুই দিন এসব এলাকার স্থানে স্থানে অনেক পানি জমেছিল।


সূত্র জানায়, শুক্রবার দিনের বেলা ৪ দশমিক ৮১ মিটার উচ্চতার জোয়ার ছিল নদীতে।  শনিবার দিনের বেলায় ৪ দশমিক ৬৬ মিটার উচ্চতায় ছিল জোয়ার।


পতেঙ্গা আবহাওয়া অফিসের সহকারী আবহাওয়াবিদ উজ্জ্বল কান্তি পাল বাংলানিউজকে জানান, চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দরকে তিন নম্বর স্থানীয় সতর্কতা সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। রোববার (২৩ আগস্ট) বিকেল ৩টা পর্যন্ত বৃষ্টিপাত রেকর্ড হয়েছে ৩৪ মিলিমিটার। শনিবার (২২ আগস্ট) যা ছিল ১০২ দশমিক ২ মিলিমিটার।  


তিনি জানান, সোমবার (২৪ আগস্ট) কর্ণফুলী নদীতে প্রথম ভাটা শুরু হবে ভোর ৪টা ০৪ মিনিটে। জোয়ার শুরু হবে সকাল ১০টা ৫৮ মিনিটে। দ্বিতীয় ভাটা শুরু বিকেল ৪টা ৩৩ মিনিটে। জোয়ার শুরু রাত ১১টা ২১ মিনিটে।  


সীকম গ্রুপের এমডি ও এফবিসিসিআই’র সাবেক পরিচালক আমিরুল হক বাংলানিউজকে বলেন, এখন নতুন বন্দর প্রস্তুত করা খুব জরুরি হয়ে পড়েছে। এ বন্দরে বন্যা হলে দেশের অর্থনীতির গেটওয়ে বন্ধ হয়ে যাবে। বে টার্মিনাল খুব দ্রুত চালু করা উচিত।


সূত্র: বাংলা‌নিউজA

No comments

Powered by Blogger.